Posts

শরৎ বাবু, খোলা চিঠি দিলাম তোমার কাছে

শরৎ বাবু, খোলা চিঠি দিলাম তোমার কাছে তোমার গফুর মহেষ এখন কোথায় কেমন আছে তুমি জানো না হারিয়ে গেছে কোথায় কখন তোমার আমিনা শরৎ বাবু এ চিঠি পাবে কিনা জানি না আমি।। গেল বছর বন্যা হলো এ বছরে খরা খেতে ফসল ভাসিয়ে নিলো মাঠ শুকিয়ে মরা এক মুঠো ঘাস পায় না মহেষ দুঃখ ঘোচে না তুমি জানো না।। বর্গিরা আর দেয় না হানা নেই তো জমিদার তবু কেন এদেশ জুড়ে নিত্য হাহাকার জেনেছো দেশ তো স্বাধীন আছে ওরা বেশ তোমার গফুর আমিনা আর তোমারই মহেষ এক মুঠো ভাত পায় না খেতে গফুর আমিনা তুমি জানো না।।

দোলা হে দোলা হে দোলা হে দোলা

দোলা হে দোলা হে দোলা হে দোলা আঁকা-বাঁকা পথে মোরা কাঁধে নিয়ে ছুটে যাই রাজা মহারাজাদের দোলা, ও দোলা আমাদের জীবনের ঘামে ভেজা শরীরের বিনিময়ে পথ চলে দোলা, হে দোলা হেইয়ানা হেইয়ানা হেইয়ানা হেইয়া।। দোলার ভিতরে ঝলমল করে যে সুন্দর পোষাকের সাজ আর ফিরে ফিরে দেখি তাই ঝিকমিক করে যে মাথায় রেশমের তাজ হায় মোর ছেলেটির উলঙ্গ শরীরে একটুও জামা নেই খোলা দু’চোখে জল এলে মনটাকে বেঁধে যে তবুও বয়ে যায় দোলা হে দোলা।। যুগে যুগে ছুটি মোরা কাঁধে নিয়ে দোলাটি দেহ ভেঙ্গে ভেঙ্গে পরে হো পরে। ঘুমে চোখ ঢুলু ঢুলু রাজা মহারাজাদের আমাদের ঘাম ঝরে পড়ে হো পড়ে উঁচু ঐ পাহাড়ে ধীরে ধীরে উঠে যাই ভালো করে পায়ে পা মেলা হঠাৎ কাঁধের থেকে পিছলিয়ে যদি পড়ে আর দোলা যাবে নাকো তোলা রাজা মহারাজার দোলা বড় বড় মানুষের দোলা ও দোলা আঁকা-বাঁকা পথে মোরা কাঁধে নিয়ে ছুটে যাই রাজা-মহারাজাদের দোলা হে দোলা হে দোলা হে দোলা হে দোলা।।

গঙ্গা আমার মা পদ্মা আমার মা

গঙ্গা আমার মা পদ্মা আমার মা ও ও তার দুই চোখে দুই জলের ধারা মেঘনা যমুনা।। একই আকাশ একই বাতাস এক হৃদয়ের একই তো শ্বাস। দোয়েল কোয়েল পাখির ঠোটে একই মুর্ছনা। ও ও তার দুই চোখে দুই জলের ধারা মেঘনা যমুনা।। এপার ওপার কোন পাড়ে জানি না ও আমি সব খানেতে আছি গাঙ্গের জলে ভাসিয়ে ডিংগা ও আমি পদ্মাতে হই মাঝি শংখ চিলের ভাসিয়ে ডানা ও আমি দুই নদীতে নাচি একই আশা ভালবাসা কান্না হাসির একই ভাষা। দুঃখ সুখের বুকের মাঝে একই যন্ত্রনা ও ও তার দুই চোখে দুই জলের ধারা মেঘনা যমুনা।।

দিমির দিমির তানা না না

Cm দিমির দিমির তানা না না প্রেম মানে না কোন মানা ও.. কালো কি রুপসী যা হোক আহারে ঘুরেফিরে শুধু মনে হয় তারে উচু কি নিচু তার জাত নেই তো জানা ঘুম পেলে যেমন কেউ ভাঙ্গা খাট মানে না।। আরো শোন প্রেমে অভিমান হলে পিরিতি গভীর হয় সব লোক বলে তৃষিত মন আকুল দরশন বীনা পিয়াসী পাগল যেমন ধোবিঘাট মানেনা।। যদি কখোনো বা মনে ভাব যাগে একটু কাছে পেতে বড় ভালো লাগে সুজন কি কুজন সে যে জনই হোক না দারুন ক্ষুধা যেমন এটো ভাত মানেনা।। “ভূপেন হাজারিকা”

মানুষ মানুষের জন্য C

মানুষ মানুষের জন্য জীবন জীবনের জন্য একটু সহানুভূতি কি মানুষ পেতে পারে না ও বন্ধু….।। মানুষ মানুষকে পণ্য করে মানুষ মানুষকে জীবিকা করে পুরনো ইতিহাস ফিরে এলে লজ্জা কি তুমি পাবে না? ও বন্ধু………..।। বল কি তোমার ক্ষতি জীবনের অথৈ নদী পার হয় তোমাকে ধরে দূর্বল মানুষ যদি মানুষ যদি সে না হয় মানুষ দানব কখনো হয় না মানুষ যদি দানব কখনো বা হয় মানুষ লজ্জা কি তুমি পাবে না? ও বন্ধু……….।।